বিদ্যালয়টি গোপালগঞ্জ জেলা শহর হতে ১২ কি. মি. উত্তর পশ্চিম দিকে বিশ্ব রোডের পাশে চন্দ্রদিঘলিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে অবস্থিত। অত্র বিদ্যালয়ের চারদিকে চার কিলো মিটারের মধ্যে কোন উচ্চ বিদ্যালয় নাই। বিদ্যালয়টিতে ৪কক্ষ বিশিষ্ট একটি বিজ্ঞান ভবন, ১২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি দ্বিতল ভবন, তিন কক্ষ বিশিষ্ট একটি একতলা ভবন আছে । বিদ্যালয়ের সামনে একটি বড় খেলার মাঠ আছে। বিদ্যালয়টি এস এস সি ও জে এস সি পরীক্ষা কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হয়। সাত থেকে আটটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীগণ মনোরম পরিবেশে এস এস সি ও জে এস সি পরীক্ষা দেয়।
: চন্দ্রদিঘলিয়া একটি ঐতিহ্য বাহী গ্রাম। এই গ্রামে ১৯২৬ সালের পূর্বে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল। ১৯২৬ সালে বিদ্যালয়টি ঝড়ে পড়ে গেলে সুদীর্ঘ চার দশক পর্যমত্ম কোন উচ্চ বিদ্যালয় বা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় গড়ে উঠে নাই। পরবর্তিতে ১৯৬৫ সালে খলিলুর রহমান ভূঁইয়া ও হাজী শামসুল হক ভূঁইয়া সাহেবের দান কৃত জমি ও রফি উদ্দিন মোলস্না সাহেবের উৎস ও অনুপ্রেরণায় গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সার্বিক সহযোগিতায় মাত্র দশ জন শিক্ষার্থী নিয়ে স্কুলে যাত্রা শুরম্ন হয়।স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় কূখ্যাত পাকবাহিনী বিদ্যালয়টি পুড়িয়ে দেয়। বিদ্যালয়ের কাগজ পত্র সহ সকল আসবাবপত্র ভষ্মীভূত হয়।১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আবার ও খলিলুর রহমান ভূঁইয়া ও হাজী শামসুল হক ভূঁইয়া প্রতিষ্ঠাতাদ্বয় সহ এলাকার আপামর জন সাধারণের অক্লামত্ম পরিশ্রম ও আমত্মরিকতার সাহায্য সহযোগিতায় প্রধান শিক্ষক জনাব বেলায়েত হোসেন সিকদার সহকারি প্রধান শিক্ষক জনাব এমদাদুল হক ভূঁইয়া এবং গ্রামের আর ও অনেক শিক্ষকের আপ্রাণ প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি ০১/০১/১৯৭২ সাল হতে পুনরায় যাত্র শুরু করে। পরবর্তিতে বিখ্যাত দানশীল ব্যক্তিত্ব চন্দ্রদিঘলিয়ার কৃতি সমত্মান, ব্যাংকিং জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র তৎকালিন প্রাইম ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্ট ও জনাব এম শাজাহান ভূঁইয়া ১২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি দ্বিতল ভবন, বিদ্যালয়ের পর্যাপ্ত চেয়ার ,টেবিল,বেঞ্চ সহ যাবতীয় আসবাবপত্র তৈরী করে দিয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ সুন্দর ও মনোরম করেছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়টি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দাবিদার।
ছবি | নাম | মোবাইল নং | ই-মেইল |
---|
সন |
পরীক্ষার নাম |
পাশের শতকরা হার |
পরীক্ষার নাম |
পাশের শতকরা হার |
২০০৯ |
এস এস সি |
৭৮% |
জে এস সি |
|
২০১০ |
এস এস সি |
৫২% |
জে এস সি |
৭৪% |
২০১১ |
এস এস সি |
৮৫% |
জে এস সি |
৮৫% |
বিদ্যালয়টির শিক্ষার গুণ গত মান শিক্ষক এস এম সি ও এলাকার লোকজন খুবই আমত্মরিক এস বি এ সহপাঠ্য ক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার হার বৃদ্ধি করা হচ্ছে।শিক্ষার্খীদের ঝরে পড়া রোধে ও একী ভূত বাসত্মবায়নে বিদ্যালয়ের সাথে সংশিস্নষ্ট সকলে আপ্রাণ চেষ্টা করবে। পি বি এম কার্যক্রম সঠিক ভাবে হচ্ছে। লেখা পড়া খেলাধূলা সহ সকল প্রকার সাংস্কৃতিক ও সহপাঠ্যক্রমিক বাসত্মবায়নের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
www.chandrahschool@yahoo.com
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস